Welcome

রহস্যময় কালো কুয়োর গল্প

 

রহস্যময় কালো কুয়োর গল্প

Image

Image

Image

Image

Image

Image

বাংলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে ছিল একটি পুরোনো কুয়ো। গ্রামের মানুষ সেটাকে বলত — “কালো কুয়ো”

দিনের বেলাতেও কেউ কুয়োর কাছে যেত না। কারণ গ্রামের লোকদের বিশ্বাস ছিল, রাত গভীর হলে কুয়োর ভেতর থেকে মানুষের কান্নার শব্দ শোনা যায়।

অনেক বছর আগে নাকি সেখানে এক জমিদারের ছোট মেয়ে হারিয়ে গিয়েছিল। কেউ বলে সে পড়ে গিয়েছিল, কেউ বলে তাকে কেউ ঠেলে ফেলেছিল। কিন্তু তার লাশ আর কখনো পাওয়া যায়নি।


গ্রামের এক যুবক ছিল, নাম রাশেদ। সে এসব ভূতের গল্প বিশ্বাস করত না।

এক রাতে বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে সে একাই কুয়োর কাছে গেল।

চারদিক নিস্তব্ধ। আকাশে আধা চাঁদ। বাতাসে অদ্ভুত ঠান্ডা।

রাশেদ মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে কুয়োর ভেতরে তাকাল।

হঠাৎ—

নিচ থেকে ছোট্ট একটা মেয়ের কণ্ঠ ভেসে এলো:

“আমাকে বের করো…”

রাশেদের বুক কেঁপে উঠল।

সে ভাবল কেউ মজা করছে।

আবার শব্দ এল—

“তুমি এত দেরি করলে কেন?”

এবার সে স্পষ্ট দেখল, কুয়োর গভীরে সাদা কাপড় পরা একটা ছোট মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় ছিল—

মেয়েটার চোখ দুটো পুরো কালো।


রাশেদ ভয়ে পিছিয়ে যেতে লাগল। ঠিক তখনই তার মোবাইলের আলো নিভে গেল।

চারদিক অন্ধকার।

হঠাৎ তার কানের পাশে ফিসফিস শব্দ—

“তুমি কি আমাকে রেখে চলে যাবে?”

সে দৌড় দিতে গেল, কিন্তু অনুভব করল কেউ তার পা ধরে টানছে।

রাশেদ চিৎকার করল।

গ্রামের লোকেরা ছুটে এলো।

কিন্তু তারা এসে শুধু রাশেদের মোবাইলটা পেল।

রাশেদ আর কখনো ফিরে আসেনি।


পরদিন সকালে কুয়োর পাশে কাদামাটিতে একটা লেখা দেখা গেল—

“এখন আমি একা নই…”

আজও নাকি গভীর রাতে ওই কুয়োর পাশ দিয়ে গেলে শোনা যায়—

একটা ছেলে কাঁদছে।

আর একটা ছোট মেয়ে হাসছে।

Share on Google Plus

About Md Azizul Hakim

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.

0 Comments:

Post a Comment